‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এ অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়েছেন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স তুনিওন। “বিয়ন্ড দ্য সেফটি নেট: টেন ইয়ার্স অব সোশ্যাল প্রটেকশন রিফর্ম। হোয়াট কামস নেক্সট?” শীর্ষক এই আলোচনায় তিনি অন্যান্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে সামাজিক সুরক্ষা সংস্কারের গত এক দশকের অভিজ্ঞতা ও আগামীর করণীয় নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।
আইএলওর চলমান কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে ম্যাক্স তুনিওন বলেন, বাংলাদেশের কর্মসংস্থান দুর্ঘটনা বীমা (এমপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম বা ইআইএস) এ কথারই প্রমাণ যে অংশগ্রহণমূলক বা অংশদানভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে।
তাঁর মতে, সামাজিক বীমার পরিধি বাড়াতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা গড়ে তোলা, নিয়োগকর্তা ও শ্রমিকদের সক্রিয় সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা এবং সর্বোপরি আস্থা অর্জন জরুরি। এ ক্ষেত্রে তিনি “পরীক্ষা করা, শেখা, খাপ খাওয়ানো ও সম্প্রসারণ করা” (টেস্ট, লার্ন, অ্যাডাপ্ট অ্যান্ড স্কেল) পদ্ধতি অনুসরণের ওপর জোর দেন।
প্রবাসী শ্রমিকদের প্রসঙ্গে ম্যাক্স তুনিওন একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতির কথা তুলে ধরেন। তাঁর ভাষায়, সামাজিক সুরক্ষা মূলত আন্তঃদেশীয় বিষয়, আর তাই তা অবশ্যই “শ্রমিকের সঙ্গে সঙ্গে চলতে হবে”।
আলোচনায় উঠে আসা এসব ভাবনা সব শ্রেণির শ্রমিকের জন্য একটি অধিকতর স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যৎ গড়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ত/জু



