মহিলা পরিষদের ছায়া সংসদে তরুণদের বিতর্ক

নারী আন্দোলনে অনলাইন দৃশ্যমানতা নিয়ে মহিলা পরিষদের ছায়া সংসদ বিতর্ক। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে যুক্তিবাদী চিন্তার বিকাশ এবং নারী অধিকার ও নারী আন্দোলন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘ছায়া সংসদ বিতর্ক’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাংগঠনিক মাস ২০২৬-এর কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আনোয়ারা বেগম-মুনিরা খান মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়।

বিতর্কের বিষয় ছিল ‘অনলাইন দৃশ্যমানতা আজ নারী আন্দোলনের মাধ্যম হয়ে উঠেছে।’

অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তরুণ সংগঠক ও কর্মকর্তারা জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম। সূচনা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও পাঠাগার উপপরিষদের সিনিয়র প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কর্মকর্তা আফরুজা আরমান।

ছায়া সংসদে সরকারি দলের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শেখ নাহিদ হাসান। সংসদ সদস্য হিসেবে অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মাহামুদ খালিদ, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ঐতিহ্য রেজা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী উম্মে সুহালা এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. রাকিবুল ইসলাম। সরকারি দলের পক্ষে যুক্তিখণ্ডন করেন মাহামুদ খালিদ।

বিরোধী দলের দলনেতা ছিলেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী তাহসিনা সুলতানা রিদনী। উপনেতা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী প্রজ্ঞা লাবণী সাদিয়া। সংসদ সদস্য হিসেবে অংশ নেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাদিমা আফরোজ মন্ডল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মো. মুজাহিদ ইসলাম এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সেফাত ফয়সাল। বিরোধী দলের পক্ষে যুক্তিখণ্ডন করেন তাহসিনা সুলতানা রিদনী।

বিতর্ক শেষে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও ফুল তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নেত্রীবৃন্দ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ প্রায় ১৫০ জন উপস্থিত ছিলেন। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মহিলা পরিষদের সংগঠন উপপরিষদের তরুণ সদস্য আফরা আনতারা।

ত/জু

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন