মাগুরখালীতে চিংড়ি চাষিদের সঙ্গে একদিন কাটালেন চার আন্তর্জাতিক শেফ; আইএলও, মন্টেরি বে অ্যাকোয়ারিয়াম ও টোটালফুডের উদ্যোগে শোভন কাজ ও মানসম্মত চিংড়ি নিয়ে কর্মসূচি।
বাংলাদেশের চিংড়ি কোথা থেকে আসে এবং বিশ্বের সেরা রান্নাঘরে পৌঁছাতে কী কী প্রয়োজন, তা সরেজমিনে দেখতে খুলনার মাগুরখালীতে চিংড়ি চাষিদের সঙ্গে একটি দিন কাটিয়েছেন চার আন্তর্জাতিক শেফ। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), মন্টেরি বে অ্যাকোয়ারিয়াম এবং বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএফইএ) অন্যতম শীর্ষ সদস্য টোটালফুড প্রসেসিং (প্রা.) লিমিটেডের যৌথ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সফর হয়।
সফরে অংশ নেন ম্যারিয়ট ইন্টারন্যাশনালের যোগেন্দ্র আদেপ ও মারিও তোলেন্তিনো, ম্যারিয়টের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রন্ধনশিল্প পরামর্শক ব্র্যাড নেলসন এবং মন্টেরি বে অ্যাকোয়ারিয়ামের এক্সিকিউটিভ শেফ ম্যাট বোদিন।
বাংলাদেশে নিবন্ধিত প্রথম দিকের কয়েকটি চিংড়ি খামারে চাষিরা শেফদের দেখান, কীভাবে উৎপাদনের প্রতিটি ধাপ লিপিবদ্ধ করা হয়। তাঁরা শ্রম আইন পরিপালন এবং কর্মক্ষেত্রে মৌলিক নীতি ও অধিকারবিষয়ক প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতার কথাও জানান। এ ছাড়া ক্ষুদ্র চাষিদের সম্মিলিত কণ্ঠস্বর জোরদার করতে যে সমিতি গঠন করা হচ্ছে, তা নিয়েও আলোচনা হয়। ঘেরে গিয়ে শেফরা চিংড়ি আহরণে অংশ নেন এবং সদ্য তোলা চিংড়ি চাষিদের সঙ্গে মিলে রান্না করেন।
আয়োজকদের ভাষ্য, চিংড়ি কোন পরিস্থিতিতে উৎপাদিত হয়, তা এখন ক্রেতাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের মূল বার্তা: ভালো কাজ মানে ভালো চিংড়ি।
খুলনায় সফর অব্যাহত ছিল এবং ১৫ অক্টোবর ঢাকায় একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এর সমাপ্তি হয়। বাংলাদেশে শোভন কাজবিষয়ক ‘টিম ইউরোপ ইনিশিয়েটিভ’-এর আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডস ও সুইডেন এবং কানাডার সহায়তায় এ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।
ত/জু



