কেরানীগঞ্জে দুগ্ধ উৎপাদনে হিট স্ট্রেস ও গর্ভধারণ শনাক্তকরণ নিয়ে শেকৃবির গবেষণা পর্যালোচনা

দুগ্ধ উৎপাদন ব্যবস্থায় হিট স্ট্রেস পর্যবেক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির মাধ্যমে গাভীর এস্ট্রাস শনাক্তকরণ এবং আল্ট্রাসনোগ্রাফির সাহায্যে প্রাথমিক পর্যায়ে গর্ভধারণ নির্ণয় নিয়ে গবেষণার ‘অন স্পট রিসার্চ রিভিউ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়া এলাকার পপুলার অ্যাগ্রো অ্যান্ড ডেইরি ফার্মে এ গবেষণা পর্যালোচনা অনুষ্ঠিত হয়। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শেরেবাংলা এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সিস্টেম (SAURES) এ পর্যালোচনার আয়োজন করে। এতে সৌজন্য সহযোগিতা দিয়েছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।

গবেষণা প্রকল্পটির শিরোনাম- ‘Heat Stress and Accurate Estrus Detection through an Automated IoT-Based Temperature Sensor Module and Early Pregnancy Diagnosis Using Ultrasonography for Sustainable Dairy Production’।

গবেষণা পর্যালোচনায় রিভিউয়ার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল লতিফ, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর মুহাম্মদ আবুল বাশার এবং ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস অনুষদের (FASVM) ডিন প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।

অন-স্পট গবেষণা কার্যক্রমের পরিকল্পনাকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন SAURES-এর পরিচালক প্রফেসর ড. এফ. এম. আমিনুজ্জামান। প্রকল্পের প্রধান গবেষক (PI) হিসেবে রয়েছেন ড. মো. রাশেদুল ইসলাম, ডিপার্টমেন্ট অব SUTH। সহ-গবেষক (Co-PI) হিসেবে রয়েছেন ড. মাহফুজুল ইসলাম, ডিপার্টমেন্ট অব MIPA।

গবেষণায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার

গবেষণাটিতে গবাদিপশুর হিট স্ট্রেস পর্যবেক্ষণ ও এস্ট্রাস শনাক্ত করতে আধুনিক IoT-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আল্ট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে গাভীর প্রাথমিক পর্যায়ের গর্ভধারণ শনাক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

গবেষকদের লক্ষ্য, এসব প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে দুগ্ধ উৎপাদন ব্যবস্থাকে আরও টেকসই, দক্ষ, লাভজনক ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলা।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের গবেষণা খামার ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রাণীর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, প্রজনন ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং প্রাণিসম্পদ খাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ সময় জানানো হয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রমকে মাঠপর্যায়ে আরও বাস্তবমুখী ও ফলপ্রসূ করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ‘অন স্পট রিসার্চ রিভিউ’ কার্যক্রম নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন