কক্সবাজারে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ থেকে কর্মসংস্থানে সফল হওয়া তরুণদের গল্প শুনেছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। ২০-২১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে চাকরিয়া ও কক্সবাজারে আইএলও-সমর্থিত আইএসইসি প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণ-তরুণীরা শেখা থেকে আয়ে রূপান্তরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
জব রেডিনেস ট্রেনিং, কেয়ারগিভিং ট্রেনিং ও এন্টারপ্রেনিউরশিপ সাপোর্ট ট্রেনিং শেষ করা শিক্ষার্থীরা প্রকল্পের কর্মসংস্থান সহায়তা সেবার (ইএসএস) মাধ্যমে চাকরি, ইন্টার্নশিপ ও স্বনির্ভর কাজের সুযোগ পেয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের তরুণরা উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। বর্তমান শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী তাদের দক্ষতা দিলে জাতীয় অগ্রগতি ত্বরান্বিত হবে এবং মর্যাদাপূর্ণ কাজ ও স্বনির্ভরতার সুযোগ বাড়বে।
তিনি আইএসইসি প্রকল্পের কর্মসংস্থান সহায়তাকে প্রশংসনীয় বলে অভিহিত করেন। তাঁর মতে, এটি শুধু দক্ষতা তৈরি করছে না, বরং তরুণদের বাস্তব কর্মসংস্থানের সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করছে।
প্রকল্পের আওতায় একজন তরুণী কেয়ারগিভিং প্রশিক্ষণ শেষ করে আর্থিক সংকট কাটিয়ে ইন্টার্নশিপ পান এবং এখন কর্মরত। তিনি পরিবারের আয়ে অবদান রাখছেন এবং পরিবারকে সহায়তা করছেন।
আইএসইসি প্রকল্পে গ্রাফিক ডিজাইন, আইটি সাপোর্ট, ওয়েল্ডিং, রেফ্রিজারেশন, মোবাইল সার্ভিসিং, কেয়ারগিভিং ও উদ্যোক্তা উন্নয়নসহ ১৪টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পটি এ পর্যন্ত ৪৬টি প্রশিক্ষণ কোর্সের মাধ্যমে ৭ হাজারেরও বেশি তরুণকে কর্মসংস্থানে যুক্ত করেছে।
আইএসইসি প্রকল্পটি আইএলও, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ব্র্যাক ও ইউএনডিপি যৌথভাবে বাস্তবায়ন করছে। এতে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে কানাডার গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা।
প্রকল্পটি নারী, নিট যুবক, প্রতিবন্ধী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য বাজারচাহিদাভিত্তিক দক্ষতা, শিক্ষানবিশি, উদ্যোক্তা সহায়তা ও কর্মসংস্থান সেবা সম্প্রসারণ করছে। এর লক্ষ্য দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে কাউকে পেছনে ফেলে রাখা নয়।
ত/জু



