সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট পরিচালনায় বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি ও ট্রানজিট রুটে চলাচলকারী ১৩৫টি ফ্লাইট স্থগিত বা বাতিল হয়েছে। এতে ২০ হাজার ৬৭২ যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। বাতিল বা স্থগিত ফ্লাইটের মধ্যে ৬২টি সরাসরি এবং ৭৩টি ট্রানজিট ফ্লাইট।
সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ২৩টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ১৯টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি এবং রিয়াদ এয়ারের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে।
ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ২৮টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৮টি, সালাম এয়ারের ৭টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৬টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট রয়েছে।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদসহ বিভিন্ন বিমানবন্দরে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের হামলার কারণে দেশটির কয়েকটি বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রাখা হয়। পরে বিমানবন্দরগুলো আংশিক সচল হলেও নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে অনেক এয়ারলাইনস এখনো ফ্লাইট চালু করেনি।
গত ১০ অক্টোবর থেকে এসব ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত হওয়া শুরু হয়। বেবিচক জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ফ্লাইট বাতিলের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকতে পারে।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে ৩৭৯ যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট সৌদি আরবের দাম্মাম বিমানবন্দরে গিয়েছে। তবে গত রাতে দাম্মাম বিমানবন্দরে নতুন করে হামলার খবরে সেখানে ফ্লাইট চালু থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দাম্মাম রুটের ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। জরুরি প্রয়োজনে যাত্রীরা জেদ্দা ও মদিনা বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারেন এবং নিকটস্থ বিমান বিক্রয়কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
ত/জু



