কক্সবাজারে ভূমিধসের ঝুঁকি কমাতে পূর্বাভাসভিত্তিক আগাম পদক্ষেপ ও স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর প্রস্তুতি ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরে একটি পরামর্শমূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খাড়া পাহাড়ি ভূমি, তীব্র মৌসুমি বৃষ্টিপাত এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা—বিশেষ করে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প ও ঝুঁকিপূর্ণ হোস্ট কমিউনিটি—এই জেলায় ভূমিধসের ঝুঁকিকে আরও তীব্র করে তুলেছে বলে কর্মশালায় উল্লেখ করা হয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও দি রয়্যাল নরওয়েজিয়ান এমব্যাসি ইন বাংলাদেশের অর্থায়নে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর যৌথ আয়োজনে কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হয় ‘Local-Level Consultation Workshop on the National Early Action Protocol for Landslide’ শীর্ষক এই কর্মশালা।
কর্মশালায় জাতীয় ভূমিধস আগাম পদক্ষেপ প্রোটোকল (এলইএপি)-এর খসড়া উপস্থাপন করা হয়। এ সময় প্রস্তাবিত ট্রিগার, থ্রেশহোল্ড, আগাম পদক্ষেপ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা নিয়ে অংশীজনদের কাছ থেকে মতামত ও সুপারিশ নেওয়া হয়।
কর্মশালার উদ্বোধন করেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আজাদুর রহমান। এছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএম) নিতাই চন্দ্র দে সরকার অনলাইনে যুক্ত হয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেন।
আয়োজকরা জানান, কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের মতামত ও সুপারিশ কক্সবাজারের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি কার্যকর ও বাস্তবায়নযোগ্য এলইএপি চূড়ান্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



