অভিবাসী শিশুর সুরক্ষায় কারিতাসের অঙ্গীকার

কারিতাস ইন্টারন্যাশনালিসসহ বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে একাত্ম হয়ে ১১২তম বিশ্ব অভিবাসী ও শরণার্থী দিবস পালন করেছে কারিতাস বাংলাদেশ। এবারের দিবসে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে চলমান বা স্থানান্তরিত শিশুদের ওপর।

কারিতাস বাংলাদেশ জানায়, স্থানান্তরিত প্রতিটি শিশু সবার আগে একজন শিশু এবং নিরাপত্তা, মর্যাদা, যত্ন, শিক্ষা এবং আশা নিয়ে বেড়ে ওঠার সুযোগ পাওয়ার অধিকারী। কিন্তু সংঘাত, নিপীড়ন, দারিদ্র্য, জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা সংকটে যেসব শিশু অভিবাসী হয় বা বাস্তুচ্যুত হয়, তারা শোষণ, পাচার, সহিংসতা, বৈষম্য ও বহিষ্করণের মতো উচ্চ ঝুঁকির মুখে পড়ে।

সংস্থাটি বলেছে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এ বাস্তবতা বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। দেশটি একদিকে জীবিকা ও সুযোগের সন্ধানে বিদেশগামী লাখো অভিবাসীর উৎসস্থল, অন্যদিকে বিপুলসংখ্যক জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। এদের মধ্যে শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এবং তাদের জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা, যত্ন ও মর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যতের সুযোগ।

দিবস উপলক্ষে কারিতাস বাংলাদেশ অভিবাসী, শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুত মানুষ, বিশেষ করে শিশুদের পাশে থাকার এবং তাদের অধিকার, মর্যাদা, সুরক্ষা ও অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

সংস্থাটির ভাষ্য, “সীমান্ত পার হয়েছে বলে কোনো শিশুর অধিকার হারানো উচিত নয়। অধিকার সব শিশুর, সব জায়গায়।” একটি শিশুকে সুরক্ষা দিলেও তা সমগ্র মানবতার মর্যাদাকেই সমুন্নত রাখে।

কারিতাস বাংলাদেশ এমন সমাজ ও কমিউনিটি গড়ার আহ্বান জানিয়েছে, যেখানে স্থানান্তরিত প্রতিটি শিশু স্বাগত, সুরক্ষিত এবং বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে।

এ উপলক্ষে কারিতাস ইন্টারন্যাশনালিসের যৌথ বিবৃতি “Children on the Move: Rights Without Borders” প্রকাশ করা হয়েছে, যা সংস্থাটির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

ত/জু

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন