কক্সবাজারের স্থানীয় ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর শিশুদের সামাজিক ও আবেগীয় দক্ষতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে ১৯ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর মাঠপর্যায়ে মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকরা।
টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলার ১২৫টি নির্বাচিত গণনা এলাকায় (এনুমারেশন এরিয়া) এই কার্যক্রম চালানো হয়। এর মধ্যে ছিল উখিয়ার মেগাসাইট (কুতুপালং-বালুখালী) ও হোয়াইক্যং এলাকা। স্থানীয় ও রোহিঙ্গা উভয় জনগোষ্ঠীই এই কার্যক্রমের আওতায় আসে।
মাঠ পর্যায়ের কাজে স্বেচ্ছাসেবকরা ১ হাজার ২০০টিরও বেশি পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের সামাজিক ও আবেগীয় দক্ষতার পাশাপাশি তাদের পড়া ও গণিতের মৌলিক দক্ষতাও যাচাই করা হয়।
স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য এটি ছিল শেখারও একটি সুযোগ। বিভিন্ন কমিউনিটির পরিবেশে কাজ করতে গিয়ে তারা শিশুদের সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও শিশুবান্ধব উপায়ে মিশতে শিখেছেন এবং মাঠপর্যায়ে মূল্যায়ন পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।
মাঠের অভিজ্ঞতা এবং তথ্য সংগ্রহ শেষে নির্বাচিত এনুমারেটরদের মতামত কাজে লাগিয়ে বিশ্লেষণ করা হবে, কোন পদ্ধতি কার্যকর ছিল ও কোথায় পরিবর্তন দরকার। এর ভিত্তিতে মূল্যায়নের সরঞ্জাম ও মাঠপর্যায়ের কৌশল আরও উন্নত করা হবে।
এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে এনুমারেটর, স্বেচ্ছাসেবক, মাঠ দল, সহযোগী সংগঠন ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনা দলসহ প্রস্তুতি থেকে সমাপ্তি পর্যন্ত যাঁরা সময়, শ্রম ও মতামত দিয়ে সহায়তা করেছেন, আয়োজকরা তাঁদের সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
বাংলাদেশে এই পাইলট কার্যক্রমের নেতৃত্বে রয়েছে ইনস্টিটিউট ফর ইনফর্মড ডেভেলপমেন্ট (আইআইডি), যা পাল নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় কাজটি পরিচালনা করছে। কক্সবাজারে স্থানীয় বাস্তবায়ন সহযোগী হিসেবে রয়েছে ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন (ওয়াইপিএসএ)।
ত/জু



