অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি। ‘গ্র্যাজুয়েশন স্কলারশিপ’ নামের এ কার্যক্রমের আওতায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজে প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত ৭০ জন শিক্ষার্থীকে গ্র্যাজুয়েশন শেষ পর্যন্ত শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হবে।
এ বৃত্তির বিশেষত্ব হলো, নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা শুধু একবার নয়; চার বছর ধরে—অর্থাৎ গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করা পর্যন্ত—সহায়তা পাবেন। এর মাধ্যমে তাঁরা আর্থিক দুশ্চিন্তা কাটিয়ে পড়াশোনায় মনোযোগী হতে পারবেন এবং নিজেদের স্বপ্নপূরণের পথে এগিয়ে যেতে পারবেন।
প্রাথমিক পর্যায়ে কার্যক্রম শুরু হয়েছে ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। এগুলো হলো—বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ; ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ; জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়; জামালপুর মেডিকেল কলেজ; জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়।
নতুন এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটির প্রতিনিধিদল সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধিদলে ছিলেন সংস্থার ডেপুটি ম্যানেজার (ফিন্যান্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস) মাজহারুল ইসলাম, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (শিক্ষা) শওকত মিয়া এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (সার্বিক) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা উদ্যোগটিকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি বিশ্বাস করে, একজন শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষা শুধু তাঁর নিজের ভবিষ্যৎ নয়, বরং একটি পরিবার ও সমাজের জন্যও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে। তাই আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সে লক্ষ্যে সংস্থাটি কাজ করছে।
সংস্থাটির শিক্ষা সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি নিয়মিত উপস্থিতি, পড়াশোনার অগ্রগতি ও সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এ ছাড়া অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয়, কাউন্সেলিং এবং দক্ষতা ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশেও উদ্যোগ নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি প্রতি মাসে প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করে আসছে।
ত/জু



