এইচঅ্যান্ডএম ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে কেয়ার বাংলাদেশের ‘অপরাজিতা’ প্রকল্প এবং দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশনের সহায়তায় তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতে নিরাপদ, সম্মানজনক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সেফগার্ডিং চর্চা জোরদার করা হচ্ছে।
সম্প্রতি ফকির নিটওয়্যার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা কর্মীদের জন্য একটি সেফগার্ডিং সেশন অনুষ্ঠিত হয়। সেশনের মূল লক্ষ্য ছিল সেফগার্ডিং নীতি, অভিযোগ জানানোর প্রক্রিয়া এবং জবাবদিহিতা সম্পর্কে ব্যবস্থাপনা কর্মীদের ধারণা বাড়ানো।
সেফগার্ডিং বলতে কর্মক্ষেত্রে সব কর্মী—বিশেষ করে নারী কর্মীদের—নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সম্মান নিশ্চিত করার ব্যবস্থাকে বোঝায়। এর মধ্যে রয়েছে যৌন হয়রানি, শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন, বৈষম্য ও সহিংসতা প্রতিরোধ এবং অভিযোগের নিরাপদ ও গোপনীয় চ্যানেল তৈরি করা।
সেশনে বলা হয়, একটি নিরাপদ কর্মপরিবেশ শুধু কর্মীর মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্যই নয়, বরং উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের সুনামের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
সেশনে ব্যবস্থাপনা কর্মীদের সেফগার্ডিং নীতি বাস্তবায়নে তাঁদের দায়িত্ব ও দায়িত্ববোধ সম্পর্কে সচেতন করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত, নিরপেক্ষ ও গোপনীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া এবং জবাবদিহিতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
নারী কর্মীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার প্রতি সবার সম্মিলিত অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করাই এ সেশনের অন্যতম লক্ষ্য।
সেফগার্ডিং চর্চা জোরদারের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে নারী কর্মীদের জন্য নিরাপদ, সম্মানজনক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এ ধরনের উদ্যোগ আরএমজি খাতে নারী কর্মীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে, কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা ও হয়রানি কমাতে এবং টেকসই শ্রম-সম্পর্ক গড়ে তুলতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ত/জু



