দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় পর্যায়ক্রমে একটি করে প্রতিবন্ধী স্কুল গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার—এমনটাই জানিয়েছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। ২০ সেপ্টেম্বর রোববার রাজধানীর ইস্কাটনে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, দেশে এখন ৮৫টি প্রতিবন্ধী স্কুল সচল আছে। নতুন স্কুল প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষিত শিক্ষকের সংখ্যাও বাড়ানো হবে। তিনি বলেন, সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কেবল সুরক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও নিয়েছে। এমনকি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের অভিভাবকরা যাতে বাড়িতে বসেই আয়ের সুযোগ পান, সে বিষয়েও ভাবছে সরকার।
অনুষ্ঠানে ভাতা বাড়ানোর দাবি তুললে মন্ত্রী তাতে একমত হন এবং শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ জানান, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ভাতার হার ও উপকারভোগীর সংখ্যা—দুটোই বেড়েছে; নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট থেকে বরাদ্দও সাড়ে পাঁচ কোটি থেকে বাড়িয়ে এগারো কোটি টাকা করা হয়েছে।
অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী ৯২ জন মেধাবী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীর হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন



